Home » আমার বরগুনা » আমতলী » থানায় ঝুলন্ত লাশ : তদন্তে অগ্রগতি জানতে চায় মানবাধিকার কমিশন

থানায় ঝুলন্ত লাশ : তদন্তে অগ্রগতি জানতে চায় মানবাধিকার কমিশন

বরগুনা অনলাইন : বরগুনার আমতলী থানায় পুলিশ হেফাজতে শানু হাওলাদারের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসানের ই-মেইলে পাঠানো অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করার বিষয়টির প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। একইসঙ্গে মামলা তদন্তে কতদূর অগ্রগতি হয়েছে সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

কমিশন বলছে, অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা প্রতিপালনে বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের পরিচয় দেবে বলে কমিশন প্রত্যাশা করে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কমিশনের পরিচালক (প্রশাসন) কাজী আরফান আশিকের স্বাক্ষরে পাঠানো চিঠিতে শানু হাওলাদারের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলার বিষয়ে নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে বলা হয়েছে, ‘ঘটনার পরই বরগুনা পুলিশ সুপারের মাধ্যমে নেওয়া ব্যবস্থা ও অনলাইনে মামলা রুজু করার প্রশংসনীয় নজিরকে কমিশন সাধুবাদ জানায়। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা প্রতিপালনে বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্বের পরিচয় দেবে বলে কমিশন প্রত্যাশা করে।’

আরো পড়ুন :  আমতলীতে কবুতর রেস

চিঠিতে পুলিশ সুপার মারুফ হোসেনের কাছে তদন্তের অগ্রগতি জানতে চেয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। চিঠিতে আগামী ৬ মের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি জানাতে বলা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনের ওয়েবসাইটে এই চিঠি প্রকাশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বরগুনার এসপি মারুফ হোসেন বলেন, ‘কমিশন থেকে আমাকে ফোন করা হয়েছিল। শানু হাওলাদারের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে করা মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে চাওয়া হয়েছে।’

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্তের অগ্রগতি জানানো হবে বলে তিনি জানান।

এর আগে গত ২৬ মার্চ বরগুনার আমতলী থানা হেফাজতে হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি শানু হাওলাদারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় কোনো মামলা না হওয়ায় গত ৩০ মার্চ ই-মেইলের মাধ্যমে বরগুনার এসপির কাছে অভিযোগ দাখিল করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান। অভিযোগ পাওয়ার পরই বরগুনার এসপি মারুফ হোসেনের নির্দেশে আমতলী থানা মামলা গ্রহণ করে। ওই থানার প্রত্যাহার হওয়া ওসি মো. আবুল বাশারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এই মামলা হয়েছে।

আরো পড়ুন :  সন্তানের কান্না সইতে না পেরে রাস্তায় বরগুনার এই বাবা

শানু হাওলাদারের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) তোফায়েল আহম্মেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। শানুর মৃত্যুর ঘটনায় এরইমধ্যে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাশারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে একই থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ও সহকারী উপপরিদর্শক আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সূত্র : জাগো নিউজ