Home » জীবন-যাপন » ‘ও’ ব্লাড গ্রুপের মানুষ করোনায় কম সংক্রমিত হন

‘ও’ ব্লাড গ্রুপের মানুষ করোনায় কম সংক্রমিত হন

যাদের ব্লাড গ্রুপ ‘ও’ (O)তাদের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার কম। বায়োটেকনোলজি কোম্পানি 23andMe এর সাম্পতিক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। এ নিয়ে আজ এক বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউজউইক ম্যাগাজিন।

সাড়ে সাত লাখ মানুষের উপর চালানো গবেষণায় দেখা যায় যাদের ব্লাড গ্রুপ ‘ও’ (O) তাদের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার অন্যদের তুলনায় ৯ থেকে ১৮ শতাংশ কম। স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্য ফ্রন্টলাইনারদের মধ্যেও দেখা গেছে যাদের ব্লাড গ্রুপ ‘ও’ (O) তাদের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার অন্যদের তুলনায় ১৩ থেকে ২৬ শতাংশ কম। শুধু তাই নয়, যাদের ব্লাড গ্রুপ ‘ও’ (O) তাদের হাসপাতালে ভর্তির হারও কম।

এপ্রিলে শুরু হওয়া ওই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে তাদের ঠান্ডা বা ফ্লু এর উপসর্গ আছে কিনা, তারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন কিনা, চিকিৎসা নিয়েছিলেন কিনা, হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কিনা ইত্যাদি জানতে চাওয়া হয়েছিল। তারা তাদের ‘জেনেটিক ইনফরমেশন’ ও দিয়েছিলেন।

আরো পড়ুন :  বরগুনায় দুই ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

তাদের মধ্যে যাদের ব্লাড গ্রুপ ‘ও’ (O) তাদের শতকরা ১.৩ ভাগ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।
অন্যদিকে যাদের ব্লাড গ্রুপ ‘এ) (A) তাদের শতকরা ১.৪ ভাগ, যাদের ব্লাড গ্রুপ ‘বি’ (B) এবং ‘এবি’ (AB) তাদের শতকরা ১.৫ ভাগ করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

কোম্পানিটির দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অবশ্য তাদের গবেষণা একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে মার্চে কোভিড-১৯ রোগের উৎসস্থল চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের ২ হাজার ১৭৩ জন কোভিড-১৯ রোগী নিয়ে গবেষণা করে চীনা বিজ্ঞানীরাও জানিয়েছিলেন, যাদের ব্লাড গ্রুপ ‘ও’ (O), তাদের মধ্যে এ রোগ সংক্রমণের হার কম। আর রক্তের ‘এ’ (A) গ্রুপধারী ব্যক্তিদের মধ্যে করোনা ভাইরাস সহজে সংক্রমিত হতে পারে। তাদের মধ্যে মৃত্যুর হারও বেশি।

আরো পড়ুন :  করোনা আক্রান্ত হয়ে বেতাগী নিবাসী পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলিমেইল সে তথ্য জানিয়েছিল।

বলা হয়েছিল, সাধারণত রক্তের ‘ও’ (O) গ্রুপধারী মানুষের হার (৩৪ শতাংশ) রক্তের ‘এ’ (A) গ্রুপধারী (৩২ শতাংশ) মানুষের চেয়ে বেশি। কিন্তু কোভিড-১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের ‘ও’ (O) গ্রুপধারী ব্যক্তি ২৫ শতাংশ, যেখানে ‘এ’ (A) গ্রুপধারী ব্যক্তি ৪১ শতাংশ। এছাড়া, এ রোগে ‘ও’ (O) গ্রুপের মৃত্যুর হার ২৫ শতাংশ, যেখানে ‘এ’ (A) গ্রুপের মৃত্যুর হার ৩২ শতাংশ।