Home » আমার বরগুনা » বরগুনা সদর » বরগুনায় দেড়শটি মণ্ডপে পূজা প্রস্তুতি

বরগুনায় দেড়শটি মণ্ডপে পূজা প্রস্তুতি

নাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব `শারদীয় দূর্গাপূজা`। এই পূজা উৎসবকে কেন্দ্র করে বরগুনায় মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরি, সাজ-সজ্জাসহ নানা প্রস্তুতি। এবার জেলার ছয়টি উপজেলার ১৫০টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দূর্গা উৎসব। এরমধ্যে সদর উপজেলায় শারদীয় দূর্গা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে ২৬টি মণ্ডপে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে, এ বছর দেবী দূর্গা আসছেন ঘোড়ায় চড়ে, আর যাবেন দোলায় চড়ে। ১৮ অক্টোবর দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এ মহোৎসব চলবে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত। দেবী দূর্গাকে বরণে মণ্ডপগুলোতে চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। শিল্পীদের নিপুণ হাতে ইতোমধ্যেই প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে রঙ তুলির কাজ। প্রতিমার শৈল্পিক রূপ দেয়ার জন্য মণ্ডপে মণ্ডপে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারু ও প্রতিমা শিল্পীরা।

আরো পড়ুন :  বয়স্কভাতার টাকা না দেয়ায় বের করে দেয়া হলো মাকে

বরগুনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শুখরঞ্জন শীল জানান, প্রতিবারের ন্যায় এবারও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বরগুনার মণ্ডপগুলোতে দূর্গাপূজা উদযাপন করা হবে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে।

বরগুনা সদর উপজেলার সার্বজনীন আখড়াবাড়ি পূজা মণ্ডপের সভাপতি লিটন দাস জানান, দূর্গাপূজার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ দূর্গা প্রতিমা। রামায়ণ ও মহাভারতের নানা দেব-দেবীর কাহিনী অবলম্বনে প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। প্রতিমায় নিখুঁতভাবে কাজ ফুটিয়ে তুলতে রঙ তুলি দিয়ে এখন দিন রাত কাজ করছেন শিল্পীরা। এসময় পূজামণ্ডপের প্রতিমা দেখতে সবাইকে আমন্ত্রণ জানান তিনি।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মীর জহুরুল ইসলাম জানান, প্রতিটি মণ্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে এবার আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদযাপনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরো পড়ুন :  বরগুনায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে ও আলোচনা সভা

বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাক জানান, দূর্গাপূজাকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ, আনসার এবং কমিউনিটি পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে। এছাড়াও পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব সদস্যরাও থাকবে মোবাইল এবং প্যাট্রোল ডিউটিতে।

জাগো নিউজ