Home » দর্শনীয় স্থান » বেড়েরধন নদীর সূর্যোদয়ের নৈসর্গিক দৃশ্য মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে
বেড়েরধন নদীর সূর্যোদয়ের নৈসর্গিক দৃশ্য মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে

বেড়েরধন নদীর সূর্যোদয়ের নৈসর্গিক দৃশ্য মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে

বরগুনা অনলাইন : উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগী উপজেলার বেড়েরধন নদীর সূর্যোদয়ের দৃশ্য সকলকে মুগ্ধ করে। পরিচ্ছন্ন নয়নাভিরাম প্রকৃতির এক অনন্য নৈসর্গিক লীলাভূমি বেড়েরধন। বেড়েরধন নদীতে ঝোপখালী সেতুতে এ অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করার জন্য সকালবেলা দর্শনার্থীদের ভীড় জমাতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার শ্রীমন্ত নদী ও বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার বিষখালী নদীর সংযোগ স্থাপনকারী বেড়েরধন নদী। ঝোপখালী সেতুর উপর দাঁড়িয়ে সকালবেলা পূর্ব দিগন্তে উদয়মান রক্তিম সূর্যের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য দর্শনার্থীদের ভীড় জমাতে দেখা গেছে। অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করা এ যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি।

নদীর নীল জলরাশি, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিদের উড়ে বেড়ানো, বিভিন্ন ধরণের সৌন্দর্য প্রিয় বৃক্ষের সমাহার, গাঁয়ের বধূদের কলসি নিয়ে পানি আনতে যাওয়া ও নদীর বুকে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের। এসব প্রাকৃতিক নৈসর্গিক সৌন্দর্য যে কারও মন ভোলায়।

আরো পড়ুন :  বরগুনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাবরক্ষক ইয়াবাসহ আটক

সকালবেলা সূর্যোদয়ের এ দৃশ্য উপভোগ করার জন্য বেতাগী পৌর শহর, বাসন্ড, হোসনাবাদ, বিবিচিনি, পুটিয়াখালী, দেশান্তরকাঠী, রাণীপুর, গড়িয়াবুনিয়া, ফুলতলা, মোকামিয়া, ঢালীকান্দা, পালকান্দা, পাল কেওড়াবুনিয়া ও বটতলা গ্রামের মানুষজন ছুটে আসে।

এ বিষয় সেতু সংলগ্ন ঝোপখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জহিরুল হক বলেন, ‘সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখার জন্য সেতুর উপর দাঁড়িয়ে অনেককেই ভীড় জমাতে দেখা গেছে।’

প্রবীন সাংবাদিক হাসান ঝন্টু বলেন, ‘সেতুর উপর দাঁড়িয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য নদীর উভয় পাশে সৌন্দর্য বর্ধনশীল বৃক্ষ রোপণ করা দরকার।’