Home » আমার বরগুনা » বরগুনায় চিকিৎসকসহ আরো ৭জন আক্রান্ত
বরগুনা অনলাইন

বরগুনায় চিকিৎসকসহ আরো ৭জন আক্রান্ত

বরগুনা অনলাইন : বরগুনায় আজ আরো সাতজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জনে দাড়িয়েছে। যাদের দু’জন সুস্থ্য ও দু’জন মৃত্যুবরণ করেছেন।
নতুন আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন শিশু ও দু’জন নারী এবং একজন চিকিৎসকও রয়েছেন। শনিবার রাতে বরগুনা স্বাস্থ্য বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বরগুনার স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, বরগুনা জেলায় এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩০ জন। এর মধ্যে দু’জন সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, দু’জন মৃত্যু বরণ করেছেন এবং বাকি ২৬ জন হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে রয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে বরগুনা সদরের ধানসিঁড়ি সড়কের পুর্বের আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রী (৪৪) ছেলে (৮) ও ছেলে(১৩) সহ মোট তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া আমতলী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের পুর্বের আক্রান্ত ব্যক্তির স্ত্রী (৩৭) ছেলে (৭) নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক (২৬) আক্রান্ত হয়েছেন।

আরো পড়ুন :  বরগুনায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সৌরশক্তির ব্যবহার বেড়েছে

উপসর্গ গোপন করে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর মাধ্যমে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বেতাগীর ওই চিকিৎসক। এর বাইরে বামনা উপজেলার উত্তর রামনা গোলাঘাটা গ্রামের একজন (৪৪) ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি একই এলাকার সংক্রমিত অপর একজন ব্যক্তির সংষ্পর্শে গিয়েছিলেন।

এছাড়াও বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন ব্যক্তির পর পর দু’বার পরীক্ষার ফলাফলে করনা নেগেটিভ এসেছে। ফলে আগামীকাল রবিবার তাঁকে ছাড়পত্র দিয়ে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হবে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন শাহীন খান বলেন, শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ৩৯৯জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে মৃত দু’জন ও সুস্থ্য দু’জনসহ মোট ৩০জন ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন :  আমফান : বরগুনায় মাইকিং হলেও ঘূর্ণিঝড়ের লক্ষণ নেই

উপজেলাভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত বরগুনা সদর উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন বারো জন, বামনা উপজেলায় ছয়জন, বেতাগী উপজেলায় তিনজন, আমতলী উপজেলায় সাতজন এবং পাথরঘাটা উপজেলায় দুইজন। এখন পর্যন্ত তালতলী উপজেলায় কেরোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।

বরগুনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, আক্রান্ত সাতজনের বাড়িসহ আশপাশের বেশ কিছু বাড়ি ইতোমধ্যে আমরা লকডাউন করেছি। তাদের সংস্পর্শে আসা মানুষদের খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি আমরা।