বরগুনায় প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

বরগুনায় প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

বরগুনা সদর উপজেলায় প্রাথমিক স্কুল পর্যায়ে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে জহিরুল ইসলাম বাদল নামে এক শিক্ষককে আটকের ৪ ঘণ্টা পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

তিনি বরগুনা সদর উপজেলার রোডপাড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। কলেজ রোডে বিজয় কোচিং সেন্টার নামে তার একটি প্রাইভেট সেন্টার রয়েছে।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ছাপানো প্রশ্ন সরবরাহ করেছেন। গত বুধবার রাতে তৃতীয় শ্রেনীর সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের একটি প্রশ্ন বিভিন্ন শিক্ষার্থীর কাছে পাওয়া গেছে। যার একটি কপি বৃহস্পতিবার সকালে বরগুনা জেলা প্রশাসক মীর জহুরুল ইসলামের কাছে পৌঁছানো হয়েছে। পরে জেলা প্রশাসক প্রশ্নের কপি হাতে পেয়েই সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা বিভাগকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের ধরার নির্দেশ দিয়েছেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানিয়েছেন,  উদ্ধারকৃত প্রশ্নপত্রের ফটোকপির সঙ্গে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ছাপানো প্রশ্নপত্র মিলে গেছে।

তিনি আরো জানিয়েছেন, বেলা ১২টার দিকে জহিরুল ইসলাম বাদলকে আটক করে ৪ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দিয়েছেন।

ইউএনও অফিসের পেশকার বাবুল লাল ঘোষ জানিয়েছেন, বিজয় কোচিং সেন্টার থেকে বেশ কিছু নিষিদ্ধ নোট বই উদ্ধার করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মীর জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যাপারে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ ইব্রাহিম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল মজিদ ও উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মাজিদা আক্তার।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *