Home » আমার বরগুনা » বরগুনা সদর » বরগুনা সিভিল সার্জনকে মেডিক্যাল সামগ্রী দিলো নৌবাহিনী

বরগুনা সিভিল সার্জনকে মেডিক্যাল সামগ্রী দিলো নৌবাহিনী

গোলাম কিবরিয়া, বরগুনা অনলাইন  : বরগুনার সিভিল সার্জন ড. হুমায়ুন শাহীন খানের কাছে জীবাণুনাশক সরঞ্জাম ও মেডিক্যাল সামগ্রী উপহার দিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী খুলনা নেভাল এরিয়া কমান্ডার।

করোনা মহামারিকে কেন্দ্র করে গত ২৫ মার্চ থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি ইউনিট বরগুনায় অবস্থান করছেন। যারা In Aid to the civil power এর আওতায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় প্রশাসনের ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা করে আসছেন।

বুধবার দুপুর ২.৩০ মিনিটের সময় বরগুনার এলজিইডির প্রধান কার্যালয় মিলনায়তনে রিয়ার এডমিরাল, মোহাম্মদ মুসা বরগুনা জেলার করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে বরগুনা জেলার শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তাইন বিল্লাহ্ (জেলা প্রশাসক) ও জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসেন (পিপিএম) এর সাথে আলোচনা করেন।

আরো পড়ুন :  বরগুনা পুলিশের ‘ব্লাড ব্যাংক’ সেবা শুরু

পরে সিভিল সার্জন ডাঃ হুমায়ুন শাহিন খানের সাথে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শেষে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের জন্য করোনা মহামারী সামাল দিতে মেডিকেল ইনস্ট্রুমেন্ট ও জীবানুনাশক সরঞ্জামাদি হস্তান্তর করেন।

এসব সামগ্রীর মধ্যে ছিল- টেম্পারেচার গান (৫টি), পিপিই (কভারাল) ১শ পিচ, গোগলস্ ১শ পিচ, সার্জিক্যাল মাস্ক ৫শ পিচ, হ্যান্ড গ্লোবস্ ৪শ জোড়া, স্টিলের ট্রে ১০ পিচ ও ফোম (২০) পিচ।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার খুলনা নেভাল এরিয়ার রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা (এনপিপি, আরসিডিএস, এএফডব্লিউসি, পিএসসি) সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বরগুনা জেলা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত। এ জেলায় করোনা মহামারির শুরু থেকেই বাংলাদেশ নৌবাহিনী শক্ত অবস্থানে ছিল। তারা কাজ করে যাচ্ছ জেলার মাঠ থেকে সর্বত্র।
সাধারণ মানুষকে করোনা সুরক্ষায় স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা ও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বরগুনা কন্টিনজেন্ট।

আরো পড়ুন :  বরগুনায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় স্কুলছাত্র নিহত

বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী ভারতীয় জেলেদের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাগর ও নদীতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের টহল অব্যাহত রয়েছে এবং থাকবে। বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী ভারতীয় জেলেদেরকে পাওয়া গেলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি জানান।