Deprecated: Hook custom_css_loaded is deprecated since version jetpack-13.5! Use WordPress Custom CSS instead. Jetpack no longer supports Custom CSS. Read the WordPress.org documentation to learn how to apply custom styles to your site: https://wordpress.org/documentation/article/styles-overview/#applying-custom-css in /home/bargunaonline/public_html/wp-includes/functions.php on line 6078
বেড়িবাঁধ ভেঙে পাথরঘাটার ১০ গ্রাম প্লাবিত – বরগুনা অনলাইন

বেড়িবাঁধ ভেঙে পাথরঘাটার ১০ গ্রাম প্লাবিত

বরগুনা অনলাইন : বরগুনার পাথরঘাটা সংলগ্ন বলেশ্বর নদীতে প্রবল জোয়ারের চাপে পদ্মার অংশের বেঁড়িবাধ ভেঙে প্রায় ৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এবং ১০টি মৎস্য ঘের পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পদ্মা গ্রামের বেড়িবাঁধ একেবারে ভেঙে যায়।

এ সময় দেখা যায়, বেড়িবাঁধের পদ্মা গ্রামসংলগ্ন বলেশ্বর নদীর পানি অমাবস্যার কারণে বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর পাশের বেড়িবাঁধের প্রায় এক কিলোমিটার ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ সময় পানি ঢুকে মাছের ঘের ও বসতবাড়ি তলিয়ে গেছে। এতে পদ্মা ও রুহিতা এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

স্থানীয় আবদুর রহিম, জয়নাল, আবদুর রাজ্জাক জানান, বাঁধটি অনেক আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কিছুদিন ধরে পানি খুব বেড়ে গেছে। অমাবস্যার প্রভাব পড়ায় হঠাৎ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে জোয়ারের পানির চাপে বেড়িবাঁধ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে ওই এলাকার কয়েকটি গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তাছাড়া অনেক মৎস্য ঘের ও আমন ধানের বীজতলা পানিতে তলিয়ে যায়। এই বেড়িবাঁধটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে বলেশ্বর নদীর জোয়ারের পানি ভাসিয়ে নিয়ে যাবে পুরো এলাকা।

পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। যেভাবে পানির চাপ তাতে রাতের মধ্যেই কয়েক কিলোমিটার ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আলমগীর জানান, অতিবৃষ্টি, অমাবস্যার প্রভাব ও লঘুচাপের কারণে হঠাৎ পানি বেড়ে গেছে। এই এলাকার ৫টি স্পটে ভেঙে গেছে। আমি সরেজমিন আছি। এখানে কিছু পয়েন্টে বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ চলছিল। যে এলাকা বিলীন হয়ে গেছে সেখানে এখনই বস্তার মধ্যে মাটি ভরে পানি ওঠা বন্ধ করার চেষ্টা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *