বরগুনা অনলাইন

বরগুনায় মোট শনাক্ত ২৩, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ জন

বরগুনা অনলাইন : বরগুনায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ২ জন সুস্থ হওয়ায় জেনারেল হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়িতে চলে গেছেন। শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে তারা বাড়িতে ফেরেন।

তারা উভয়ই ৯ এপ্রিল থেকে জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেসনে ছিলেন। ওই দুই ব্যক্তি হলেন- বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের খাকবুনিয়া গ্রামের মো: সেলিম মিয়া (৬২) ও একই উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামের হিরণ মিয়া (৩৪)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: সোহরাব হোসেন।

তিনি জানান, ৯ এপ্রিল থেকে ১৪ দিন আইসোলেসনে ভর্তি থেকে সুস্থ হওয়ায় শুক্রবার বেলা দেড়টায় হাসপাতাল থেকে তাদের ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে থেকে সম্প্রতিকালে হিরন নারায়নগঞ্জ থেকে বরগুনা ও সেলিম মিয়া তাবলীগ জামায়াত ঢাকা ফেরত আসেন। হাসপাতাল টিম তাদেরকে গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন।

এ দিকে , বরগুনায় গত ৯ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫ দিনে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন করে বরগুনা জেলায় আরো তিনজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের দুইজন এবং আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নে করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তির স্ত্রী আক্রান্ত হয়েছেন।

বরগুনা জেলার উপজেলা ভিত্তিক তথ্যানুযায়ী এখন পর্যন্ত বরগুনা সদর উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন নয়জন, বামনা উপজেলায় পাঁচজন, বেতাগী উপজেলায় দুজন, আমতলী উপজেলায় পাঁচজন এবং পাথরঘাটা উপজেলায় দুজন। এখন পর্যন্ত অপর একটি উপজেলা তালতলীতে কোনো কেরোনা রোগী শনাক্ত হয়নি বলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ নিশ্চিত করেছে।

করোনা সংক্রামণ ঠেকাতে পুরো বরগুনা জেলা লকডাউনসহ নানা প্রচেষ্টার পরও ঠেকানো যাচ্ছে না জনসমাগম। অহেতুক জনসমাগম ঠেকাতে বেগ পেতে হচ্ছে প্রশাসনের। তাই বরগুনা শহরে জনসমাগম বন্ধ করতে বরগুনা পৌরসভার প্রতিটি প্রবেশ পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে চেকপোস্ট বসিয়েছে বরগুনা জেলা পুলিশ।

বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন শাহীন খান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে প্রাপ্ত ফলাফলে আরো তিনজন ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। নতুন সংক্রমিতদের ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগ যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছেন।

এ বিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, আক্রান্ত এই তিনজনের বাড়িসহ আশেপাশের বেশ কিছু বাড়ি ইতিমধ্যেই আমরা লকডাউন করেছি।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *